নিজস্ব প্রতিনিধি: মনিরা মনি
বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসনে আরা তন্নির দিক নির্দেশনায় ১নং জলমা ইউনিয়নের ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান পার্থ রায় এর প্রচেষ্টায় অপসারণ করা হয় বটিয়াঘাটা উপজেলার গল্লামারী বাজার সংলগ্ন রাস্তার পাশের দীর্ঘ দিনের ময়লা আবর্জনার স্তুপ।বটিয়াঘাটা উপজেলার ১নং জলমা ইউনিয়নের গল্লামারী বাজার সংলগ্ন চালনা খুলনা সড়কের মোড়ে বিভিন্ন বর্জ ফেলার পাত্র থাকা সত্বেও বাহিরে ফেলা হতো ময়লা আবর্জনা গুলো।যার ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হতো ব্যাবসায়ী সহ পথ যাত্রীদের।হতো পরিবেশ দুষণ। এই যায়গাতে ময়লা আবর্জনা ফেলার কারনে সাধারণ পথ যাত্রীরা ভুগছিল বিভিন্ন রোগে।এটি একটি ব্যাস্ততম সড়ক হওয়ায় রাস্তার পাসে এমন ময়লা আবর্জনা যেমন যান চলাচলে বিপর্জয় হতো,তেমনি চলাচল রত মানুষেরও ভোগান্তি পোহাতে হতো। এসকল বিষয়ে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খন্দকার ফারুক হোসেনের দৃষ্টি গোচর হলে, তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে জানানোর পর পরই এই ময়লা আবর্জনা অপসারণের জন্য ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান কে নির্দেশ দেন।তারই দিক নির্দেশনায় শুক্র বার সকাল ছয় টা হতে জলমা ইউনিয়নের ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান পার্থ রায়,বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফারুক হোসেন,জলমা ইউনিয়নের কাম কম্পিউটার অপারেটর হাসিব নজরুল ইসলাম বাবু,চৌকিদার আনোয়ার, রিপন সহ অন্যন্য চৌকিদার গনের সহযোগিতায় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা ময়লা আবর্জনা সরিয়ে নিয়ে যান এবং যায়গাটিতে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করেন।এসময় ফারুক খন্দকার বলেন,যথা সময়ে সিটি কর্পোরেশন ময়লাগুলো সরিয়ে নিলে এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না।তারা যেন সময় মত ময়লা আবর্জনা নিয়ে যায়।তিনি আরো বলেন,এই ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য খুলনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে গল্লামারী সৃতিসৌধের সামনে বা পাশে ব্রীজের পাশে একটি জায়গা করে দিলে ময়লা আবর্জনার জন্য জনগনের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না।সাথে সাথে রাস্তার পাস দিয়একটি ড্রেন করে খালের সাথে সংযোগ করে দিলে পরিবেশ দূশন আরো কমবে।