1. admin@goyendanews.com : admin :
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ইউটিউবে সাফল্যের শিখরে খুলনার ১৩ বছরের রায়াত। মেট্রো স্টেশনের কাছে ভয়া’বহ বিস্ফো’রণে নিহত ৮, আহত ২৪ জেলা পরিষদের পুড়ে যাওয়া ফাইল উদ্ধার: খুলনায় প্রশাসনিক কর্মকর্তার সাধারণ ডায়েরি। দাকোপ থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম এর ইন্তেকাল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশের পরও বহাল তবিয়তে খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টিবোর্ড চলন্ত ইজিবাইকের মটরের সাথে ওড়না পেচিয়ে একজন মেয়ের মৃত্যু। আইনী সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জেমস প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার। মাতৃভূমি সিটি ও মাতৃভূমি রিসোর্ট,র সম্পর্কিত শেয়ার হোল্ডার নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত। দৈনিক ভোরের দর্পণ খুলনা ব্যুরো অফিসে চুরি

খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে অ‌নিয়‌মের অ‌ভি‌যোগ, তদ‌ন্তে মন্ত্রনালয়

গোয়েন্দা নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩৮১ বার পঠিত

স্টাফ‌ রি‌পোর্টারঃ

খুলনা জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের বিরুদ্ধে চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের সরকারি বাসা মেরামতের অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি গাড়ি যত্রযত্র ব্যবহার, কর্মচারীদের সাথে খারাপ আচারন ও ঠিকাদারের বিল পরিশোধে বিড়াম্বনা, পরিত্যাক্ত নয় তবুও পরিত্যাক্ত দেখিয়ে ভাড়া ফাঁকী সহ নানা অনিয়মের লিখিত অভিযোগ করেছে মন্ত্রনালয়ে।
ভুক্তভোগী খুলনা জেলা পরিষদের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নুরজাহান কাকলী, মোঃ ফিরোজ শেখ সহ অন্যরা অভিযোগ করেন,তাদের বাসা, বসবাসের অনুপোযোগী। বাসার ওয়াল ছাদ খসে পড়ছে। চরম দুঃবিসহ ভাবে তারা বসবাস করছে।
তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত জুলাইমাসে কর্মচারীদের বাসা মেরমেতর টাকা বরাদ্ধ হয়ে আসে কর্মচারীদের নামে। টাকা বরাদ্ধ কর্মচারিদের নামে হলেও, কর্মচারীদের বাসা মেরামত না করে সে টাকা পরিষদের একজন উপ প্রকৌশলীর মাধ্যমে নিজের সরকারি বাসা ব্যবহারের অনুপযোগি দেখিয়ে মেরামতের জন্য হাতিয়ে নেন নির্বাহী কর্মকর্তা, তাসলিমা আক্তার। এ বিষয়ে প্রকৌশলী সহ কর্মচারিরা কথা বলতে গেলে তাদেরকে শোকজ সহ নানা হুমকি দেন বলে কর্মচারিদের অভিযোগ। তাদের বাসা মেরামেতর জন্য তারা আবেদন করে। জেলা পরিষদ তাদের ৬ জনের ঘর মেরা মতের জন্য প্রতিজনের নামে ২৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়। সুকৌশলে এ টাকা নিয়ে প্রোকৌশলীর মাধ্যমে নির্বাহী কর্মকর্তা তার বাসার সাজ সজ্জা করান।আবার সেই বাসা পরিত্যাক্ত না হওয়া সত্ত্বেও পরিত্যাক্ত দেখিয়ে সরকার কে ভাড়া ফাঁকি দিচ্ছেন এ কর্মকর্তা। এ ছাড়া তিনি জেলা পরিষদের গাড়ি অফিস টাইমের পরে পারিবারিক কাজে ব্যবহার থেকে শুরু করে বাজার, ঘাট, তার স্বামীকে অন্য দপ্তরে পৌছে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। গাড়ি তেল ও মেরামতের খরচ পরিষদথেকে নেয়া হতো বলে জানান এই গাড়ি চালক হাবিব অভিযোগ করেন। নির্বাহী কর্মকর্তা সরকারি বাসা ভাড়া পান প্রায় ২১ হাজার টাকা। বাস ভবনটি বসবাসের উপযোগি হলেও তিনি তার বাসাটি কনডেম বা ব্যবহারের অনুপযোগি দেখিয়ে সরকারি ভাড়া প্রদান করছেন মাসে ৫ হাজার টাকা। তবে বাসাটি যে ব্যবহারের অনুপযোগি তার কোন কাগজ পত্র নেই বলে জানালেন পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী আলেয়া বেগম। নির্বাহী কর্মকর্তার এসব কর্মকান্ডর প্রতিবাদ জানিয়ে মন্ত্রী পরিষদে লিখিত অভিযোগ করেছেন জেলা পরিষদের ঠিকাদার নওশীন এন্টার প্রাইজের সত্তাধিকারী মোহাম্মদ সোহেল সহ কয়েক জন।
এদিকে এ সব ঘটনা মিথ্যা ও চক্রন্ত বলে দাবি করেছেন জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার। জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মন্ত্রী পরিষদ থেকে তদন্তর কথা স্বীকার করেছেন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যান বোর্ড খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ শাহীনুজ্জামান। খুলনা জেলা পরিষদের ৪র্থ শ্রেনী কর্মচারী ও ঠিকাদারদের অভিযোগ নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত হয়ে ঘটনার সুষ্ঠ বিচার হোক এমনটি প্রত্যাশা করছে পরিষদের সকল কর্মকর্তা, কর্মচারী ও খুলনা বাসী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর